[ইন্ট্রো – ১৫ সেকেন্ড]
🎙
দর্শক, Rtv থেকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ। এই মহূর্তে আমি দাড়িয়ে আছি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের ঠিক প্রধান ফটকে। নদী বেষ্টিত এই উপজেলায় সাড়ে ৮ লাখ মানুষের এই জনপদের একমাত্র হাসপাতালে আছেন মাত্র ৪ জন ডাক্তার। এখানকার চিকিৎসা ব্যবস্থা বলতে গেলে একেবারেই নাজুক।”
📸 (হাসপাতালের বাইরে থেকে শুরু করে প্রবেশপথে ঢুকতে ঢুকতে )
🔹 [চিকিৎসক সংকট – ২৫ সেকেন্ড]
“এখানে ৫০ শয্যার হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫০০ রোগী আসেন। অথচ মাত্র ৪ জন ডাক্তার দিয়ে চলছে পুরো সেবা। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, এই হাসপাতালে ২৩টি পদ থাকলেও অনেকেই নেই। ডাক্তার আছেন মাত্র ৪ জন। অপারেশন থিয়েটার বন্ধ, ইনডোরে ভর্তি রোগীরা ঠিকমতো চিকিৎসা পান না। এই হাসপাতালে এত রোগী আসেন যে, ডাক্তার একা আর পেরে ওঠেন না। অনেক সময় কাউকে ঠিকমতো চিকিৎসা সেবা দিতে ব্যর্থ হন এখানকার চিকিৎসক।
📸 (ডাক্তারের রুমের সামনে ভিড়, হঠাৎ রোগীর অপেক্ষার দৃশ্য)
—
🔹 [রোগী বা স্বজনের বক্তব্য – 15-20 সেকেন্ড]
👤 রোগীর স্বজন:
> “সকাল ৯টায় এসেছি, এখন ১টা বাজে।
এখনো ডাক্তার দেখিনি। খুব ভোগান্তি।”
👤 (আরেকজন):
> “ওষুধও ঠিকমতো পাই না, সব বাইরে থেকে কিনতে হয়।”
📸 (ওষুধ বিতরণের লাইনে ভিড় দেখান)
—
🔹 [শেষ কথা – 15 সেকেন্ড]
🎙
সুন্দরগঞ্জের মানুষ বুকভরা আশা নিয়ে হাসপাতালে আসে—ভালো চিকিৎসা পাবে, ডাক্তার পাশে দাঁড়াবে।
কিন্তু ডাক্তার নেই, নার্স নেই, প্রয়োজনীয় লোক নেই।
অসুস্থ শরীর আর মন নিয়ে অনেকেই ফিরে যান হতাশ হয়ে। যত দিন এসব শূন্যপদ পূরণ না হবে, তত দিন এই কষ্ট, এই অপেক্ষা—আরও বাড়তেই থাকবে…”
রাশেদুল ইসলাম রাশেদ,
Rtv, সুন্দরগঞ্জ,গাইবান্ধা
Leave a Reply